E

Sunday, December 8, 2013

MOBILE TIPS...............

**

 KB
বাঁচাতে পারবেন:

যারা টাকা দিয়ে অথবা MB
ক্রয় করে মোবাইল দিয়ে
ফেইসবুক ব্যবহার করেন
তাদেরকে বলছি,
আপনারা হয়তো অনেকেই
KB বাঁচাতে পোস্টে লাইক করেন না , আর লাইক
না করলে যেকোন
এডমিনের
পরবর্তি পোস্ট
দেয়ার উৎসাহ কমে যায় । আমি আজ
আপনাদের এমন একটি পদ্ধতি বলবো যেটি
দিয়ে আপনার KB
বাঁচাতে পারবেন
এবং এডমিনকেও
পরবর্তি পোস্টের জন্য উৎসাহিত
করতে পারবেন । কোন পোস্টে লাইক
করলে একটু সময়
Loading... দেখায় ।
আর এই Loading...
এর জন্যই KB খরচ
হয় । যেকোন
পোস্টে আপনে লাইক
চেপে সাথে সাথে Cancel
বাটনে ক্লিক করেন, আপনার কাজ শেষ ।
লাইক হয়ে গেল কিন্তু KB
খরচ হলোনা ।
.......................................THANKS. 
**
 Nokia phone a sim
খুললেই call log হারিয়ে যায়...
.
আর যাবে না এদিকে আসুন...

1. .মোবাইলের Settings এ যান।

2.এখন সিলেক্ট করুন Security Settings।

3.Security Settings এ গিয়ে আপনি Security
Level / Phone Security এ দেখতে পাবেন।

4.Security Level এ তে থাকবে Phone ,
None & Memory এবং

5.আপনি Phone Ok করবেন। আর Phone Security
তে থাকবে On&Off এবং

6.আপনি On & Ok করে দিন ব্যাস কাজ শেষ।

................................thanks. 
**
 Fake facebok id delete দিন !
আসুন আজ জেনেনেই
কিভাবে আপনি,
আপনার নিজের নাম এবং নিজের
ছবি দিয়ে তৈরি হউয়া একটি ফেক
ফেসবুক অ্যাকাউন্ট
বন্ধ করার জন্য
রিপোর্ট করবেন।
১। প্রথমে তৈরি হওয়া ফেক অ্যাকাউন্ট এর টাইমলাইন
এ
প্রবেশ করুন।
২। তারপর কভার ফটোর
ডান পাশে নিচের আইকন এ ক্লিক করুন এবং Report/
Block অপশন সিলেক্ট
করুন।
৩। এখন ওপেন হাওয়া"Report and/or block this
person"পেজ থেকে"This
timeline is pretending to
be someone or is fake"
অপশন টি সিলেক্ট করে"Pretending to be
me"অপশন এ
ওকে করুন।
0৪। এখন
নতুন
ওপেন হওয়া পেজ এ ৩০০
অক্ষর এর ভিতর আপনার কিছু
তথ্য দিয়ে নিচে"I
confirm that this report
is
correct"অপশন এ
ওকে করে Confirm করুন। বেস !!!
হয়ে গেল।
এখন ফেক অ্যাকাউন্ট নিয়ে তদন্ত শুরু হবে ।

..............................THANKS. 
**
FREE DOWNLOAD YOUR FAVORITE
SONG.......... 


................................THANKS.
**
     ::হ্যাক থেকে বাচান আপনার ফেসবুক আইডি::

বর্তমানে গনহারে হ্যাক করা হচ্ছে ফেসবুক
এক্যাউন্ট তাই কিছু টিপস আপনাদের জন্য ।
আশা করি আপনাদের উপকার হবে ।
1. Secure ব্রাউজিং Enable করুন-
Secure ব্রাউজিং বলতে মূলত একটি সুরক্ষিত ইন্টারনেট সংযোগের মাধ্যমে ফেসবুক ব্রাউজ
করাকে বুঝানো হয়েছে। নিরাপদ কানেকশন এর
মাধ্যমে একটি সফল হ্যাকিং আক্রমণ থেকে 90%
ঝুকিমুক্ত থাকা সম্ভব।
2. Login Approvals অন করুন এতে
পাসওয়ার্ড জানতে পারলেও লগিন করতে পারবে না কারন লগিন করার সাথে সাথে আপনার
মোবাইলে কনফার্মেশন কোড পাঠাবে এফবি
যতক্ষন না কোড সাবমিট করেছেন লগিন হবেনা
আপনি নিরাপদ দ্রুত আপনার পাসওয়ার্ড
পরিবর্তন করেন ।
3. Text message নাটিফিকেশন Active করুন- ফেসবুক সকল FB ব্যবহারকারীদের
বিনামূল্যে টেক্সট মেসেজ নাটিফিকেশন সুবিধা
প্রদান করছে। যখন কোনো কম্পিউটার অথবা
মোবাইল থেকে আপনার একাউন্টে ঢোকা হবে
তখন টেক্সট মেজেস নাটিফিকেশন আপনার
কাছে পৌছে যাবে। এরপর আপনি সহজেই বুঝতে পারবেন আপনি নিজে অথবা হ্যাকার আপনার
একাউন্টে লগইন করেছে কিনা। তখন আপনি
দ্রুত আপনার পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করিতে
পারবেন।
4. সর্বদা একটি শক্তিশালী পাসওয়ার্ড তৈরি
করুন- শক্তিশালী পাসওয়ার্ড হ্যাকার থেকে ফেসবুক একাউন্ট সংরক্ষণ করার সেরা উপায়।
যদি শক্তিশালী পাসওয়ার্ড তৈরি করতে চান
তাহলে আপনাকে অবশ্যই সর্বনিম্ন ৩টি ক্যাপিটাল
লেটার, ৩টি স্মলার লেটার, ৩টি নাম্বারির সংখ্যা
ব্যবহার করতে হবে (উদাহরণস্বরুপ-
MPSzon@123)। এই ধরনের শক্তিশালী পাসওয়ার্ড আপনার ফেসবুক একাউন্টের নিরাপত্তা
ও সুরক্ষা বৃদ্ধি করতে সহায়তা করবে।
5. 3rd পার্টি এপ্লিকেশন ব্যবহার করার সময়
সতর্ক থাকুন-ফেসবুকে আরো মজা এবং আরো
আরামদায়ক করার জন্য তৃতীয় পক্ষের Apps
এর অভাব নেই। কিন্তু এখন হ্যাকাররা এগুলোকে ব্যবহার করে তাদের হ্যাকিং কার্যক্রম চালিয়ে
যাচ্ছে। আমরা কোন নির্দিষ্ট সময়ে এগুলো
ব্যবহার করে থাকি কিন্ত ব্যবহার শেষে সেগুলোকে
remove/disable করতে ভূলে যাই।
এর ফলে আমাদের ফেসবুক একাউন্ট হ্যাক হতে
পারে। সুতরাং আপনার এপস্ সেটিং পৃষ্ঠায় যান, তারপর
যেসব এপস্ আপনি ব্যবহার করছেন না সেগুলোকে
disable করে দিন।
6. আপনার সিক্যুরিটি কোয়েশ্চন সেট করা
থাকলে ভালো না থাকলে আরো ভালো । তাই
সিকুরিটি কোয়েশ্চেন সিলেক্ট করার আগে অবশ্যই সতর্ক থাকতে হবে কারন আমরা প্রায়
সব সময় সহজ আনসার দিয়ে রাখি তাই
সিক্যুরিটি আনসার দেবার সময় অবশ্যই সহজ
কোনো কিছু না দিয়ে কঠিন কিছু দিন ।
কারন আমি দেখেছি প্রায় বেশির ভাগ এফবি
ব্যাবহার কারি কোন টাউনে জন্ম গ্রহন করেছেন বা দাদি নানি পেশায় কি ছিলেন তা দিয়ে
রেখেছেন যে গুলার উত্তর অনেকেই আইডিয়া
করে সাবমিট করে আপনার এক্যাউন্টটি হ্যাক
করে নিতে পারে তাই সিক্যুরিটি আনসার দেবার
সময় ভেবে চিনতে দিয়েন । যাতে সহজে কেউ
বের করতে না পারে । না দিলে ভালো এই জন্য বললাম কারন সিক্যুরিটি কোয়েশ্চেন না থাকলে
এই প্রসেসে কেউ আইডি নিতে পারবে না ।
7. বর্তমানে এফবি (Trusted Friends
Password Recovery) ট্রাস্টেড ফ্রেন্ড
চালু করেছে যেটা অবশ্যই ভালো কিন্তু এইটা দিয়েও
আপনার আইডি হ্যাক করে নিতে পারে । কারন আপনার ট্রাস্টেড ফ্রেন্ড সিলেক্ট করা না থাকলে
যে কেঊ আপনার আইডি তে ওর ৩ টা ফেইক
আইডি দিয়ে ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট পাঠিয়ে বন্ধু হবে
এবং পরে সামান্য চেষ্টা করেই ওই ৩ টা আইডি
তে কোড পাঠাতে পারবে এবং আপনার আইডি
হ্যাক করে নিবে । তাই যাদের ট্রাস্টেড ফ্রেন্ড সিলেক্ট করা নয় আজি সিলেক্ট করেন এবং
আপনার আইডি সুরক্ষিত রাখেন ।
..........................THANKS. 
**
 gp তে এখন ডাউনলোড
হবে এই
সেটিং টা দিলে ১০০%
কাজ
করবে প্রথমে সেটিং করেন
Name :GP mms
Apn :gpmms
porxy 010.128.5.6
port 8080
এখন কোন handaler
opere বা uc browser দিয়
ইচ্ছা মত
ডাউনলোড করেন।
...................................THANKS. 
**
**Photo Verification Problem
Solve**

লক হওয়া ফেইসবুক
আইডিতে ফটো ভেরিফিকেশন
চাইলে কি করবেন ? সমাধান
এখানে ---
↓↓↓
অনেক সময় নানা কারনে আমাদের
ফেসবুক আইডি লক হয়ে যায়। তখন
ফোন
নাম্বার দিয়ে ভেরিফাই
করে অথবা security question এর
উত্তর
দিয়ে আবার
আইডি ফিরে পাওয়া যায়।
কিন্তু এগুলো করে একবার
আইডি ফেরত
পাবার পর আবার লক হয়ে গেলে তখন
Photo Verification করতে হয়
যা খুবই
বিরক্তিকর ।
ফেসবুক আসলে এমনে একটি সামাজিক
যোগাযোগের মাধ্যম
যাতে আপনি আপনার
আশেপাশের পরিবেশের পরিচিত
মানুষদের
সাথে যোগাযোগ করবেন। কিন্তু
অনেকেই
ফেসবুকে নতুন মানুষের
সাথে পরিচিত
হতে চায় । এর জন্য একজনের
ফ্রেন্ডলিস্টে অনেক অপরিচিত
মানুষ
থাকে যাদের
ছবি দেখে চেনা যায়না ।
আরেকটি বিরক্তিকর ব্যাপার
হলো ফটো ট্যাগিং। অনেকেই
আজাইরা ছবিতে সবাইকে ট্যাগ
করে ।
এজন্য আপনাকে যখন photo
verification
করতে দেওয়া হয় তখন আপনি গরু-
ছাগলের
ছবিতে ট্যাগ করা মানুষ
দেখতে পাবেন। গরু- ছাগল
দেখে আপনাকে বেছে নিতে হবে এট
বন্ধুর ছবি । তাই
দয়া করে ”ছবিতে আপনার বন্ধুর মুখ
নেই
এমন ছবি আপনার বন্ধুকে ট্যাগ
করবেন
না” এবার আসি Photo Verfication
যেভাবে বাইপাস করবেন ।
১. গুগলে যান ।
২. এখন আপনার একটি ছবির
সাথে ৬টি বন্ধুর নাম থাকবে ।
৩. গুগল ইমেজ সার্চে লিখুন
facebook
+আপনার বন্ধুর নাম । মানে আপনার
বন্ধুর নাম Rayhan হলে লিখবেন
facebook+Rayhan
৪. এবার গুগল সার্চে আপনি অনেক
ছবি দেখতে পাবেন । যদি কোন
ছবি আপনাকে ভেরিফাই
করতে দেওয়া ছবির
সাথে মিলে যায় তাহলে বুঝবেন
সেটা তারই ছবি । আর
যদি না মিলে তাহলে বাকি ৫জনের
নাম দিয়ে একইভাবে ট্রাই
করতে থাকুন
।
৫. এরপরেও ছবিগুলো সনাক্ত
না করতে পারলে আপনি ২টি প্রশ্ন
স্কিপ
করতে পারবেন। এছাড়াও
সবগুলো প্রশ্নে ১টি উত্তর ভুল হলেও
আপনাকে পাশ করিয়ে দেওয়া হবে।
প্রশ্নের
উত্তর ঠিকভাবে দেবার পর আপনার
পাসওয়ার্ড রিসেট করতে বলা হবে।
নতুন
পাসওয়ার্ড দিয়ে এরপর সহজেই
আপনি আপনার একাউন্ট
ফিরে পেতে পারবেন ।
তাছারাও আপনি আরেকটি কাজ
করতে পারেন ।
তাহলো ফেসবুতে লগিন
করাব পর ভেরিফিকেসন করার জন্য
যেই
ছবিতে যা যা আছে তা লিখে রাখুন
এবং নিচের বন্ধুদের নাম গুলোও
লিখে রাখুন এভাবে বারবার লগিন
করুন
এবং এভাবে লিখে রাখুন । দেখবেন
এক
সময় একই ছবি আবার দেখাবে তখন
দেখবেন এই নাম গুলোর সাথে আগের
নাম
গুলোর শুধু ২-১ টির মিল আছে ওই ২-১
টির
ভিতরে একটি দিয়ে দিন
হয়ে যেতে পারে এভাবে আপনি আপন
ফেসবুক আইডিটি খুলতে পারেন ।
............................THANKS. 
** 0 ফেসবুক চালচ্ছেন কিন্তু  ছবি দেখতে পারছেন নাতো:
এই নিন ছবি সহ 0
ফেসবুক এর টিপসঃ Big বাঁশ জিপি apn :
gpinternet proxy :
141.0.11.241 port : 80
0.facebook .com
এ জান
any official Opera দিয়া । ছবি সহ
www.0.facebook . com/
home.php
এক্টা পেজ আসবে --
সেখানে উপরে আপনাকে view
করতে বলবে । বেস just click
here . Download
এর জন্য
যেকোন
বন্ধুর কাছে massege দেন :
http://আপনার সাইট .com তারপর
সেখানে click
করলে চলে আসবে । p1
active থাকতে হবে ।
gpinternet এ p1 >10 mb
পর্যন্ত use Able . So 10 mb
শেষ হলে dail : *566*1#
or again send a messege to
5000
type
p1, ভাল থাকবেন ।
..................................................THANKS. 
**

 Bl free net:

প্রথমে নিচের Setting
টা করে নিন
NAME:Blfree net
APN:blinternet
PROXY:141.0.11. 241or 37.228.107.241
PORT:80
এই Setting টা করে
যেকোন Official Opera
Install
করে নিন। advance satting এ
গিয়ে Protocol http
করে দিন।
এবার
0.facebook.com এ
জান। এখন
কোন
কমেন্ট এ লিখুন
Australia-proxy .com এর
আগে www.
দিয়ে নিবেন
এখন একটা পেজ
আসবে তার
মাঝখানে address লেখার স্থান
পাবেন
সেখান যে কোন
address
লিখে go
করেন। অনেক বড় ফাইল ডাউনলোড
হবে
.....................................THANKS.  
** 
 →হ্যাক হওয়া ফেসবুক একাউন্ট ফিরে পাবার উপায়←

ফেসবুক আমার আপনার সবারই
একটি প্রিয় সাইট। বিভিন্ন কারনে আমাদের
এই প্রিয় সাইটের একাউন্ট হ্যাক হতে পারে।
এটা হতে পারে অসাবধানত
অথবা শত্রুতাজনিত কারনে। হ্যাকড ফেসবুক একাউন্ট ফিরে পাবার কয়েকটি উপায়
থাকলেও এই উপায়টি খুব সহজ ও কার্যকর।
এজন্য নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন-

→১. এড্রেস বার এ www. Facebook.com/
hacked লিখে এন্টার চাপুন।
→২.তারপর My Account Is Compromised এ ক্লিক করুন।
→৩.এখনIdentify Your Account অংশ
হতে আপনার আইডিটি সিলেক্ট করুন। অর্থাৎ
Email or phone number
কিংবা Facebook username অথবা your
name and a friend’s name
অপশনে প্রয়োজনীয় ডাটা দিয়ে সার্চ করুন।
→৪। Security Check অপশন
আসলে সেখানে ক্যাপচা এ
→৫.এবারThis is
My Account এ ক্লিক করুন।
→৬. আপনার পাসওয়ার্ড টি এবার রিসেট করে নিন।
এভাবেই আপনি ফিরে পেতে পারেন আপনার
হারিয়ে যাওয়া ফেসবুক কে!!!
......................................................thanks. 
**
 ফ্রী গ্রামীনফোন, বাংলালিঙ্ক,রবি ও এয়ারটেল এর Customer
Care Executive সাথে কথা বলুন -

অনেক সময় আমরা গ্রামীনফোন,
বাংলালিঙ্ক, রবি ও এয়ারটেল এর
"Customer Care
Executive" এর
সাথে কথা বলতে হলে অনেক সময়
wait
করতে হয় এবং আর আপনার
অনেক balance শেষ করে
ফেলে।আপনি ফ্রী গ্রামীনফোন,
বাংলালিঙ্ক, রবি ও এয়ারটেল এর
"Customer Care
Executive" এর
সাথে কথা বলতে পারবেন। আর সেই
নাম্বারটি হল ১৫৮!

1. প্রথমে গ্রামীনফোন,
বাংলালিঙ্ক, রবি অথবা এয়ারটেল
সিম থেকে ১৫৮ নাম্বারে কল
করুন।

2.তারপর ভাষা Select
করুন।

3.তারপর আপনার অভিযোগ
Select করুন।

4.অতপর আপনার কাছে একটি
Messages আসবে এবং
পরবতী ২৪ ঘন্টার মাঝে
আপনাকে Customer Care
থেকে আপনাকে call দিবে।
........................................thanks. 
**
 হেড ফোন ছাডা মোবাইলে রেডিও
শুনুন খুব সহজে:

* অনেকে জানেন আবার
মনেকরিয়ে দিলাম । *
ধরুন আপনার হেড
ফোনটা হারিয়ে গেছে এখন
রেডিও
শুনতে পারছেন না???
চিন্তার
কোন কারন নাই, আমি আছি না।
একটা কাজ করেন,
সিগারেটের
প্যাকেটের ভিতর সিলভারের
যে কাগজটা থাকে তা সংগ্রহ
করে হেড ফোনের মাথার মত চিকন
করে মোবাইলের ইয়ার
ফোনের সকেটে ঢুকিয়ে দিন,
এবার
দেখুন আপনার মোবাইলে ইয়ার
ফোনের চিহ্ন
আসবে,
ব্যাস কাজ শেষ এবার
আরামচে রেডিও
শুনুন।
........................................thanks. 
**
 GP SIM এ কোন মাসে কত টাকা ইউজ করলেন
তা কিভাবে দেখবেন?
 
※ যারা জানেন না তাদের জন্য
পোস্টটা দিলাম
→গতমাস= *577*15#
→চলটি মাস= *577*16#
→আজকের দিনে= *577*17# 
.....................................thanks. 
**
 gp তে এখন FREE ডাউনলোড হবে :
এই
সেটিং টা দিলে ১০০%
কাজ
করবে প্রথমে সেটিং করেন Name :GP mms
Apn :gpmms
porxy 010.128.5.6
port 8080
এখন কোন handaler
opere বা uc browser দিয় ইচ্ছা মত
ডাউনলোড করেন।
......................................THANKS.
**
বাড়িয়ে নিন আপনার অপেরা মিনির ব্রাউজিং স্পীড
 ★প্রথমে Opera Mini
Browserওপেন করুন।
★তারপর
অপেরা মিনির address
bar
এক্লিক করুন।
★এবার www লেখাটা মুছে opera:conf
লিখে ok করুন।
★এবার একটা মেনু
আসবে,মেনুতে Loading
Timeout
নামে একটি অপশন দেখতে পাবেন।
এবার
Loading Timeout
অপশনে ক্লিক করুন
এবং 60 বা 3600
সিলেক্ট করুন। 
.................................thanks. 
**
 GP তে আপনি আপনার MB
এর
মেয়াদ ১ মাস বাড়াতে পারেন,
আপনাকে যা করতে হবে
Just Dial *500*0#
তারপর 1 MB কিনুন দেখুন আপনার মেয়াদ ১ মাস বেড়ে গেছে...
.............thanks
**
 পুরানো সিমের মোবাইল নাম্বার জানুন
গ্রামিনফোন – *2#
রবি – *140*2*4#
বাংলালিঙ্ক – *511#
এয়ারটেল- *121*6*3# 
..........thanks
**

::: মোবাইল ব্যাবহার সম্পর্কে কিছু পরামর্শ :::


মোবাইল ব্যাবহার আমাদের দেশে এখন বেড়ে
গেছে আগের চাইতে বহুগুন। তাই সবার হাতে
হাতে এখন মোবাইল দেখা যায়। মোবাইল
ব্যাবহার যে কতটা দরকারি সেটা সবার কাছে
পরিস্কার হয়ে গেছে। এই অত্যন্ত প্রয়োজনীয়
ডিভাইস টি ব্যাবহার করতে হবে কিভাবে সে বেপারে আমাদের মাঝে সচেনতার অভাব আছে।
ক্ষতিকর কিছু রশ্নি মোবাইল থেকে বের হয় এবং
সেটা মানুষের দেহের উপর অনেক নেতিবাচক
প্রভাব ফেলে।
তাই বিশেষজ্ঞরা মোবাইল ব্যাবহার করার নিয়ম
হিসেবে কিছু পরামর্শ দিয়েছেঃ

১/ মোবাইল আপনার শরীর থেকে যতটা সম্ভব
দূরে রাখুন। সবচেয়ে বেশি রশ্নি বিকিরন হয়
ফোন এ কথা বলার সময়। এই জন্য কান থেকে
মোবাইল কিছুতা দূরে রাখা ভাল।
তার যুক্ত সেট অথবা ব্লুটুথ সহ যেই সমস্ত
হেডসেট আছে সেগুল ব্যাবহার করা ভালো।

২/ মাথা থেকে মোবাইল দূরে রাখুন এবং মাথায়
মোবাইল কখন ও চেপে ধরবেন না।

৩/ খুব বেশি প্রয়োজন ছাড়া মোবাইল এ
বেশিক্ষণ কথা বলবেন না।

৪/ ফোন না করে যেই সমস্ত কাজ এস এম এস
এর মাধমে করা যায় সেখানে ফোন না করা ই ভালো।

৫/ যতটা সম্ভব মোবাইল দূরে রেখে লাউড
স্পিকার দিয়ে কথা বলুন।

৬/ যেই সমস্ত জায়গায় ফ্রিকোইয়েন্সি কম সেখানে
প্রয়োজন ছাড়া কথা বলা উচিত নয়।

৭/ রেডিও তরঙ্গ মাধ্যমের অন্যতম প্রধান কারন হিসেবে কাজ করে ধাতু ও পানি,
সেইজন্য ধাতব ফ্রেমের দ্বারা তৈরি চশমা, সানগ্লাস
অথবা আপনার চুল যদি ভিজা থাকে তাহলে ফোন এ
কথা বলবেন না।

৮/ ফোন আসলে আগে রিছিভ করুন পরে কানে
দিন। কারন যখন ফোন রিছিভ হয় তখন রেডিও ফ্রিকোইয়েন্সি সবচাইতে বেশি আদান প্রদান হয়।

৯/ মোবাইল ফোন ব্যাবহার না করে যদি সুযোগ
থাকে তাহলে ল্যান্ডফোন ব্যাবহার করুন।

১০/ চালু থাকলে মোবাইলটি বুক অথবা প্যান্ট
এর পকেটে না রেখে হাত এ রাখুন।

১১/ শিশুদের থেকে যতটা সম্ভব দূরে রাখুন।

১২/ মেডিকেল ইমপ্ল্যান্ট করা হয়েছে এমন শরীর
থেকে মোবাইল কমপক্ষে ১৫ সেঃমিঃ দূরে রাখুন।
.............THANKS
**

*** অনেকেই জানতে চেয়েছে কি
করলে BLOCK থেকে বাঁচা যায়..…

> কম কম friend request
পাঠাতে হবে।
> ১৩-১৫ টা request
pending থাকলে request
আর না পাঠানই ভাল।
> sent request গুলো
প্রয়োজন না থাকলে
cancel করে ফেলাই ভাল।
> কাউ কে request
পাঠালে যদি confirm/cancel
চায়,
তাহলে প্রয়োজন না
থাকলে confirm না দেওয়াই
ভাল।
> link কম কম share
করবেন।
> কোন post/photo তে
কম কম এবং ছোট ছোট
comment করবেন।
> আপনার email আইডির
সাথে আপনার আইডির নাম
মিল রাখার চেষ্টা করবেন।
> অশ্লীল photo upload
দিবেন না।
> কমপক্ষে সাপ্তাহে ১ বার
log in করার চেষ্টা
করবেন।
> একাধিক softweare/apps
দিএ facebook ব্যবহার
করবেন না।
> কম কম chat করবেন।
> group chat না করাই ভাল।
> তবে ২০-৩০ জন নিয়ে
group chat করতে পারেন।
> photo tag করবেন না।
কেউ যদি আপনার photo তে
অনেক বেশি report করে।
তাহলে BLOCK হওয়ার
সম্ভবনা থাকে।
................THANKS 
**
 
মোবাইল এ টাকা নেই
তাতে কি,

টাকা ছাড়াই বাংলালিংক
সিম
দিয়ে মিসকল দিন
ধরুন আপনার ব্যালেন্স নাই। কিন্তু কাউকে কল করা খুব জরুরী।
মিসকল দেওয়ারও টাকা নাই।
কি করবেন?
নো টেনসন।
আমি আপনাকে শিখাচ্ছি কি কর
টাকা ছাড়া কল এবং এসএমএস করা যে কোন নাম্বারে।
►উপকরণঃবাংলালিং কসিম। কর্মপদ্ধতিঃ
•১.প্রথমে করুন *321#
নাম্বারে।
•২.তারপর Reg. করার জন্য 1
লিখে রিপ্লে দিন।
কাজ প্রায় শেষ।
•৩.এখন আপনি যাকে যাকে SMS
দিতে চান *321*2#
তাদের নাম্বার গুলো এড করুন।
কাজ
শেষ।
•৪.এখন *321*5# ডায়াল করলেই কাঙ্কিত
নাম্বারগুলোতে চলে jabe
এসএমএস।
...............THANKS 
** 
→হ্যাক হলেও ফেরত পাবেন আপনার ফেসবুক একাউন্ট←
ফেসবুক আমার
আপনার সবারই
একটি প্রিয় সাইট।
অনেকের তো এমন অবস্থা সারাদিন
খাবার খাই না খাই
কিন্তু
ফেসবুকে বসা চাই।
বিভিন্নকারনে আমাদের
এই প্রিয় সাইটের
একাউন্ট হ্যাক
হতে পারে।
এটা হতে পারে অসাবধানতা বশত
অথবা শত্রুতাজনিত
কারনে। আর এখন
আকাশেবাতাসে হ্যাকিং এর
আভাস আন্দাজ করা যায়।
তাই এই সাইবার
ওয়াল্ডে কেউ
হ্যাকপ্রুফ নয়। হ্যাকড
ফেসবুক একাউন্ট
ফিরে পাবারকয়েকটি উপায়
থাকলেও
এই উপায়টি খুব সহজ ও
কার্যকর। এজন্য নিচের ধাপগুলো
অনুসরণ করুন- ১।
প্রথমে facebook.com/
hackedলিখে এন্টার
চাপুন।
২। এবার My Account Is Compromised এ ক্লিক করুন।
৩। এখন Identify Your
Account অংশ
হতে
আপনার
আইডিটি সিলেক্ট করুন। অর্থাৎ Email or
phone number
কিংবা Facebook
username
অথবা your name and a
friend’s name
অপশনে প্রয়োজনীয়
ডাটা দিয়ে সার্চকরুন।
৪। Security Check
অপশন আসলে সেখানে ক্যাপচা
এন্ট্রি করুন। ৫। This is My Account এ
ক্লিক করুন।
**
কম্পিউটারের গতি বাড়াতে প্রাথমিক কিছু টিপস
কম্পিউটারের গুরুত্ব অনেক
বেশি।
প্রতিদিন নানা কাজে ব্যবহার হয়ে থাকে কম্পিউটার। আর এই
প্রয়োজনীয় জিনিসটি নিয়মিত
ব্যবহারের ফলে অনেক সময় এর
গতি কমে যায়। অনেক দিন
অপারেটিং না দিলেও
পিসি স্লো হয়ে যায়। কিন্তু ইচ্ছা করলেই এ
সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যেতে
এজন্য প্রতিদিন অনুসরণ
করতে হবে কিছু
টিপস। এর মাধ্যমেই
বেড়ে যাবে কম্পিউটারের গতি। ১। প্রথমেই Start বাটন
থেকে Run এ যান। ২। Run এ
গিয়ে tree লিখে Enter চাপুন।
দেখবেন কমান্ড প্রম্পটের মত
একটি কালো উইন্ডো আপনার
সামনে ওপেন হয়ে দ্রুত চলে যাবে। ৩। Tree ব্যবহারের
ফলে আপনার পিসির
সবগুলো ফাংশন দ্রুত কাজ করবে।
৪। যারা Windows Seven
ব্যবহার করেন
তারা Start এ গেলেই Run অপশনটি পাবেন না।
তাদেরকে যেতে হবে: Start> All
programs> Accessories> Run।
৫। এরপর আবার Start এ ক্লিক
করে Run এ
যান Prefetch লিখে Enter চাপুন। এখন
যে ফাইলগুলো ওপেন হবে সব
Delete করে দিন। ৬। একইভাবে,
Run এ
গিয়ে যথাক্রমে recent, temp,
%temp% লিখে Enter চাপুন। ওপেন
হওয়া ফাইলগুলো Delete
করে দিন।
কম্পিউটারের
গতি বাড়িয়ে স্বাচ্ছন্দে কাজ
করতে প্রতিদিন এই টিপসগুলো অনুসরণ করুন আর
বাড়িয়ে নিন আপনার
কম্পিউটারের গতি।
............THANKS
**
নকিয়া ফোন ফ্লাশ দিন নিজে নিজে....: 

1.press *#7780#

2. Press *#7370#

3.ফোন অফ করে অন করার সময়
ফোনের স্টার ( * ) KEY,"3"
নম্বর KEY, সবুজ (কল) বাটন
এবং Power বাটন একসাথে
চেপে ধরে রাখুন যতক্ষণ না
ডিসপ্লে তে NOKIA লেখা ও আলো দেখা যায়।

5.Nokia N97 এর জন্যঃ Shift
+ space + delete এবং Power
বাটন একসাথে চেপে ধরে রাখুন

6.অন্যান্য Nokia S60v5 ফোনের
জন্যঃ সবুজ (কল) বাটন, লাল
(রিজেক্ট)
বাটন, camera বাটন
এবং Power
বাটন একসাথে চেপে ধরে রাখুন এরপর
ফোন অন হলে দেখবেন আপনার
ফোন পুরো
NEW হয়ে গেছে,
.................thanks
**
 "যারা 0.Facebook.com চালাতে পারছো না তারা লক্ষ্য
কর...
"

তোমার সীমে অবশ্যই P1
প্যাকেজ এক্টিভেট করা থাকতে
হবে। না পারলে করে নাও।

GP *500*0#। B LINK এর
ক্ষেত্রে
play pakg চালু করে
নিন।তারপর নিচের পথ
অনুসরন করুন। bl *111*44*1# Just
ডায়াল তারপর ডায়াল কর

*111*6*1# একটা

মেনু আসবে 3G/2EDGE
তুমি 2EDGE এ যাও তারপর
আরো তিনটি মেনু
আসবে সেক্ষেত্রে তোমাকে ১
নাম্বার যে মেনুটি
For Mobile সেটাতে ডুকতে হবে। এরপর
new pay as you go
(.01/kb)
এক্টিভ করে ফোনটি একবার
রিস্টার্ট কর Just বন্ধ
করে চালু কর ব্যাস এবার আরামসে ব্রাউজ কর।
মোবাইল এ টাকা না রাখাই
ভাল।

...................thanks 
**
 free tricks!! Banglalink ফ্রি ইন্টারনেট
বাংলালিঙ্ক
এর unlimited ডাউনলোড
এর tricks টি Java,
Symbian,Android
এবং পিসি তে opera mini
দিয়ে কাজ
করবে নিচের মত
manualsetting করুন=
Name: Free net
Apn: blwap
Proxy: 10.10.55.34
Port: 8799
কনফিগার টি defult
করুন?
এখনযে কোনো হেন্ডলার
ওপেনকরুন? এবং Proxy
Type=Http দিন এরপর
ProxyServer=
0.facebook.com দিন
Note:যেকোনো একটি pak
active করুন। P1 চালু
করলে ১টাকা account
এ
রাখুন।এবারআনলিম
িটেড ,ব্রাউজিং এবং ড
না কিন্তু Other Way
আমি দিলাম জাবার
বাংলালিংক ফ্রি নেট
TIPS
Proxy:37.228.107.241
Port:80
Apn:blinternet
যে কোনো হ্যান্ডেলারঅ
া ডাওনলোড
দিয়ে Protocol
typeদেন HTTP ব্যাছ
0.facebook.com
এঢুকে ইচ্ছে মত
ব্রাউজিং করুন ।আর
ডাওন লোড
করতে চাইলে POST
বার এ
এড্রেসলিখে continue
করে ইচ্ছে মত
ডাওনলোডদিন ।

........................thanks 
**

▄► আপনি অনেক দিন যাবত্ নকিয়া ফোন ব্যবহার করছেন । কিন্তু আপনি জানেন না যে এই নোকিয়া মোবাইলটি আসলে কোন দেশের তৈরি? এখনি এই পোষ্টটি পড়ে আপনি জানতে পারবেন আপনার নকিয়া মোবাইলটি কোন দেশের তৈরী ।

▄► আসল নাকি নকল !!! যেভাবে কাজটি করবেন :

► প্রথমে আপনার Nokia মোবাইল এ*#06# চেপে IMEI নাম্বার বের করুন। (কাগজে অথবা প্যাড এ টুকে রাখুন)
► এখানে ৭ম এবং ৮ম নাম্বার টি দ্বারা আপনি জানতে পারবেন মোবাইলটা কোন দেশের তৈরী ।
► নাম্বার দুইটা যদি 00 হয় তাহলে বুঝবেন এই মোবাইলটা অরিজিনাল নোকিয়া সেন্টারের ।
► নাম্বার দুইটা যদি 10, 70, 91 বা 01, 07, 19 হয় তাহলে বুঝবেন এটা ফিনল্যান্ডেরতৈর ি ।
► 02 বা 20 হলে বুঝবেন এটা জার্মানি বা আরব আমিরাতের ।
► 30 বা 03 হলে কোরিয়ার ।
► 40 বা 04 হলে চায়নার ।
► 50 বা 05 হলে ব্রাজিল বা যুক্তরাষ্ট্রের ।
► 60 বা 06 হলে হংকং বা ম্যাক্সিকোর ।
► 80 বা 08 হলে হাঙ্গেরি ।
► 13 বা 31 হলে এটি আজারবাইজানের তৈরি ।

এভাবে বের করে ফেটুন আপনার নকিয়া মোবাইলটি কোন দেশের তৈরী ।

.................................thanks
**
  ফ্রিতে কল ব্লক বা মিসকল এলার্ট ON করতে

> জিপি *21*1266#
>রবি *21*8121#
>এয়ারটেল *21*789#
>বাংলালিংক *21*770#

OFF করতে ##002#
[তবে জেনে রাখা ভাল এটার
জন্য
আপনাকে কোন বিল দিতে হবে না
তবে যে আপনাকে কল দিবে তার
টাকা কাটবে] 
.....................thanks 
**

  আপনাদের
শিখাবো কি ভাবে আপনারনোকিয়া মোবা
ব্লুটুথ স্পীড বাড়াবেন । কোন
মোবাইল থেকে কিছু নেওয়ার
সময়
আপনার মোবাইল থেকে টাইপকরুন
*#2820# এটি কম্পিউটারের
Refresh এর
মত কাজ করে ।
.......................thank
**

সকল সিমের জন্য অটো
কনফিগারেশন।

১। Banglalink : লিখুন
All
এবং সেন্ড করুন
3343 (ফ্রী)
২। গ্রামীনফোন :
মেসেজ অপশনে
গিয়ে all
লিখে পাঠিয়ে দিন
8080 এ।
অথবা ডায়াল করুন
*111*6*2# (ফ্রী )
৩। টেলিটক : set
লিখে মেসেজ
পাঠান 111
তে বা 578
এ (ফ্রী)
৪। রবি : কল করুন
*140*7#
(chargeপ্রযোজ্য )
৫। Airtel : ডায়াল
করুন
*121*7*3# (ফ্রী)
বাংলালিংক ,
গ্রামীনফোন ,
রবি ও
এয়ারটেলে
Configuratio সেভ
করতে
পিন নম্বর
দিন 1234
...................................thanks
 

                                                                         

  FOR MEN...............

**

 নারীদের প্রিয় ৬ পুরুষালি বৈশিষ্ট্য

শুধু লম্বা কিংবা হ্যান্ডসাম নয়, আরো কিছু পুরুষালি ব্যাপার রয়েছে, যা পুরুষের প্রতি নারীর আকর্ষণ তৈরি করে। এ জন্য পরিবর্তন করতে হবে আপনার দৃষ্টিভঙ্গীও। এছাড়া আপনার মাঝে শারীরিক ক্ষমতার পাশাপাশি আবেগের ছোঁয়াও থাকতে হবে। এখানে কয়েকটি বিষয় উল্লেখ করা হল।

সাজানো-গোছানো
নিজেকে উপস্থাপনের জন্য লম্বা হওয়াটাই মুখ্য বিষয় নয়। লক্ষ রাখুন প্রিয় মানুষটি কী চায়। মেয়েরা এক্ষেত্রে গভীরভাবে তার প্রিয় মানুষটির মাঝে একজন 'সুপুরুষ' খোঁজেন। মেয়েরা বিশ্বাস করে, আপনি যদি নিজের প্রতি 'কেয়ারফুল' থাকেন তাহলেই তার প্রতিও 'কেয়ারফুল' হতে পারবেন। তাই মনে রাখতে হবে, ইস্ত্রি ছাড়া পোশাক, অগোছালো চুল, নখের ময়লা, গন্ধযুক্ত মোজা, ময়লা শার্ট অথবা প্যান্ট এগুলো অবশ্যই এড়িয়ে চলতে হবে।এভাবেই একজন নারীকে 'অভিভূত' করতে পারবেন।

স্টাইল সম্পর্কে ধারণা
আপনি কেমন দামের পোশাক পরেছেন, নারীরা কিন্তু এই ব্যাপারটা ভালোই বোঝেন। যদি ফুটপাথ থেকে কোনো পোশাক কেনেন, তাহলে তাহলে আগে নিশ্চিত হয়ে নিন সেটা আপনার স্টাইলের সঙ্গে মানিয়ে যায় কি না। নারীরা কখনোই সিনেমার নায়কদের অনুকরণীয় পোশাক পছন্দ করে না। তবে তাদের কিছু ব্যাপার অনুকরণ করা যেতে পারে, যা আপনার স্টাইল বাড়িয়ে দেবে। সবসময় আধুনিকতার ছোঁয়ায় নিজেকে ধরে রাখতে হবে। আপনার সংগ্রহে সন্যাস পোশাকও থাকতে পারে। তবে এটা পরে নারীর সামনে আসা যাবে না। কেননা নারীরা অফিসিয়াল পোশাকে যেমন বিরক্ত হয় তেমনি এ ধরনের উদ্ভট পোশাকেও বিরক্ত হয়।

উপহাস নয়
উপহাসের ব্যাপারে নারীদের 'সেন্স অফ হিউমার' প্রবল-- এটা গভীরভাবে খেয়াল রাখতে হবে। মেয়েরা তাদের সুখ দুঃখ ভাগাভাগি করতে চায়। কিন্তু এমন মানুষ চায় না, যে নিজেই হতাশায় নিমজ্জিত। হ্যাঁ আপনার বাজে দিন আসতেই পারে। আপনার যদি সেন্স অফ হিউমার থাকে থাকে, তাহলে এ সমস্যা অনেক দূরে সরিয়ে দিতে পারবেন। যদি কারো সাথে সম্পর্কে জড়ানোর ইচ্ছে থাকে, তাহলে আপনাকে এ ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। সারাক্ষণ অন্যকে নিয়ে মজা করা যাবে না, নিজের ভুলভ্রান্তির দিকেও তাকাতে হবে। এটা এখনো বলা সম্ভব নয় যে, নারীরা হাস্যোজ্জ্বল মানুষকে কতটা ভালোবাসতে পারে।

দেখাতে হবে আপনি যত্নশীল
নারীর এই প্রতি আস্থা তৈরি করতে হবে যে আপনি ভালোবাসতেও পারেন একই সাথে তার প্রতি অত্যন্ত যত্নশীল ও মনোযোগী। যখন রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছেন, একসাথে সূর্যাস্ত দেখছেন, তখন আলতো করে প্রিয়জনের হাত ধরে রাখা দরকার। সে নিরাপদে রাস্তা পার হতে পারছে কি না, সেটা দেখাও একটা পয়েন্ট। এর অর্থ আপনি তার প্রতি লক্ষ রাখেন। তবে ভুল করেও জনসম্মুখে ভালোবাসা দেখানো যাবে না, এতে করে সে লজ্জিত হবে। ভালোবাসা যখন দেখাবেন, তখন অন্তত অভদ্রভাবে সেটা করা যাবে না।

চোখের পাতার ভাঁজে প্রণয়ের হাসি
মেয়েদের মন কখন বিগলিত হয়, এটা একটা গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার। অনেকভাবেই ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়ে তাকে সুশোভিত করা যায়। নামি অভিনেতাদের মতো করে ঠোঁটের কোনে ভালোবাসামিশ্রিত হাসি নিয়ে আসতে হবে। কিংবা চোখের পাতার ভাঁজে অপূর্ব ভালোবাসার ঝলক দেখিয়ে প্রিয় মানুষটিকে মোহিত করে ফেলা যাবে। এটা তাকে অবর্ণনীয় সুখী করবে। সে হয়তো মনে করবে আহ! পৃথিবীতে আমার মত সুখী ক'জন আছে!

প্রয়োজন স্থিরতা
নারীদের ব্যাপারটা অনেক ক্ষেত্রে জমিতে হালচাষ দেয়ার মতোই সাময়িক। তারা ভালোবাসা পেলে আপনার দিকে হেলে পড়বে। তখন আপনার দরকার জীবনে স্থিরতা আনা। যদি আপনি এই সময়টির সদ্ব্যবহার করতে না পারেন বা এই চাপ সহ্য করতে সমস্যা হয়, তাহলে মুহূর্তেই হয়ত আপনাকে ছিটকে পড়তে হবে। একান্ত সময়ে যৌন আবেদনও মিথ্যে হয়ে যেতে পারে আপনার আচরণে। নারীরা সঙ্গীকে ঠাণ্ডা মাথায় গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করে। যদি আপনি সেই বিশ্বাস অর্জন করতে পারেন, তাহলে আপনার প্রতি তার আস্থা জন্মাবে।
......................................THANKS.

**
 পুরুষদের কয়েকটি স্বাস্থ্যসমস্যা

সহস্রাব্দ লক্ষ্যের প্রধান অংশজুড়ে রয়েছে মায়েদের স্বাস্থ্য এবং শিশুদের স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন। এত সব প্রচেষ্টা এবং প্রচার-প্রচারণার ভিড়ে বাবা বা পুরুষদের স্বাস্থ্য সমস্যার বিষয়টি আমরা অবহেলা করছি কি না তা ভেবে দেখার সময় এসেছে। কারণ, মহিলা ও শিশুদের বিষয়ে সবাই যতটা সহানুভূতি এবং আগ্রহসহকারে স্বাস্থ্যসমস্যা সমাধানের জন্য কাজ করেন, বাড়ির কর্তাটির কথা সেখানে আজকাল অনেক সময় কারও মনে থাকে না।
পুরুষদের স্বাস্থ্যসমস্যা কী? সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রোগ নিয়ন্ত্রণকেন্দ্র পুরুষদের স্বাস্থ্যসমস্যার একটি তালিকা করেছে। সেই তালিকাটি কিন্তু অবাক করার মতো ছোট। সেখানে পুরুষদের শত্রু হিসেবে প্রধান সাতটি রোগ-ব্যাধিকে চিহ্নিত করা হয়েছে। এ সাতটি রোগ-ব্যাধির প্রতি নজর দিলে এবং প্রতিরোধ করার চেষ্টা করলে পুরুষ প্রজাতির সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা যাবে বলে আশা করা যায়।
হূদরোগ
পুরুষদের প্রধান শত্রু হূদরোগ। অতএব সব পুরুষকে হূদরোগ প্রতিরোধ করার জন্য সচেষ্ট থাকতে হবে। এ জন্য—
ধূমপান পরিহার করতে হবে। হূৎপিণ্ডের অন্যতম প্রধান শত্রু ধূমপান। প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ ধূমপান পরিত্যাগ করতে হবে।
স্বাস্থ্যকর খাদ্য গ্রহণ। শাকসবজি, ফলমূল, আকাড়া শস্যদানা, অতিরিক্ত আঁশযুক্ত খাবার বেশি খেতে হবে। পরিহার করতে হবে সম্পৃক্ত চর্বি এবং লবণযুক্ত খাবার।
ক্রনিক রোগ পরিহার করতে হবে। যেমন উচ্চরক্তচাপ কিংবা ডায়াবেটিস হলে অবশ্যই তা নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা।
প্রতিদিন ব্যায়াম করতে হবে। যেকোনো ধরনের শরীরচর্চা কিংবা খেলাধুলা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।
শরীরের ওজন সীমিত রাখতে হবে। অতিরিক্ত ওজন মানেই হূৎপিণ্ডের ওপর অতিরিক্ত বোঝা।
মদ্যপান পরিহার করতে হবে। অতিরিক্ত অ্যালকোহল রক্তচাপ বাড়িয়ে দেয় এবং তা হূৎপিণ্ডের জন্য ক্ষতিকর।
মানসিক চাপ ও উদ্বেগমুক্ত হতে হবে।
ক্যানসার
হূদরোগের পরে পুরুষের দ্বিতীয় প্রধান শত্রু ক্যানসার। ফুসফুস, ত্বক, প্রোস্টেট, অন্ত্র ইত্যাদি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের ক্যানসারে বহু পুরুষের অকালমৃত্যু হয়। ক্যানসারের ঝুঁকি কমানোর জন্য নিচের পদক্ষেপগুলো বেশ কার্যকরী।
ধূমপান পরিহার। ধূমপান পরিহার করলে যেমন হূদরোগের আশঙ্কা কমে, তেমনি ক্যানসারের ঝুঁকিও কমে।
ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। অতিরিক্ত ওজন কমাতে পারলে নানা ধরনের ক্যানসারের ঝুঁকি অনেকাংশে কমে।
ব্যায়াম করতে হবে। নিয়মিত শরীরচর্চা ওজন কমাতে সাহায্য করে, একইভাবে ক্যানসারের ঝুঁকিও কমায়।
প্রচুর শাকসবজি এবং ফলমূল খেতে হবে। শাকসবজি এবং ফলমূল ক্যানসার প্রতিরোধে অত্যন্ত কার্যকরী।
অতিরিক্ত সৌর আলোক ত্বকের জন্য ক্ষতিকর। সূর্যের আলোতে অতিরিক্ত ঘোরাঘুরি করলে অবশ্যই সানস্ক্রিন ক্রিম কিংবা ছাতা ব্যবহার করা উচিত।
মদ্যপান পরিত্যাগ করতে হবে। অতিরিক্ত মদ্যপান করলে অন্ত্র, ফুসফুস, কিডনি, যকৃৎ ইত্যাদি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের ক্যানসার হওয়ার ঝুঁকি থাকে।
কিছুু পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে ক্যানসার সুপ্তাবস্থায় বা প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত করা যায়। এ জন্য প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করা উচিত।
দুর্ঘটনাজনিত স্বাস্থ্যসমস্যা
মোটর-যানবাহন দুর্ঘটনা পুরুষদের মৃত্যুর একটি উল্লেখযোগ্য কারণ। অতএব পথেঘাটে চলাফেরার সময় সতর্ক থাকতে হবে। যানবাহন ব্যবহারের সময় মাথায় হেলমেট পরা এবং সিটবেল্ট বাঁধা গুরুত্বপূর্ণ। মদ্যপান কিংবা নেশাগ্রস্ত অবস্থায় যানবাহন চালানো একদম উচিত নয়।
ফুসফুসের দীর্ঘমেয়াদি অবরোধাত্মক ব্যাধি
ফুসফুসের দীর্ঘমেয়াদি রোগে অনেক পুরুষের স্বাস্থ্য হানি হয়ে থাকে। বিশেষ করে ক্রনিক ব্রংকাইটিস ও পালমোনারি এসফিসিমায় অনেক পুরুষের জীবন দুর্বিষহ হয়ে থাকে। এ জন্য প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত—
ধূমপান পরিহার করতে হবে। ফুসফুসের দীর্ঘমেয়াদি রোগের প্রধান কারণ ধূমপান। ধূমপান পরিহার করলে এর থেকে মুক্ত থাকা সহজ হবে।
বায়ুদূষণ পরিহার করতে হবে। এড়িয়ে চলতে হবে ধুলাবালি-ধোঁয়াযুক্ত পরিবেশ।
শ্বাসনালির সংক্রমণ প্রতিরোধ করতে হবে। ঘন ঘন শ্বাসনালির সংক্রমণ দীর্ঘমেয়াদি ফুসফুসের রোগের প্রকোপ বাড়িয়ে দেয়। অতএব শ্বাসনালির সংক্রমণ থেকে মুক্ত থাকার জন্য সতর্ক থাকতে হবে।
মস্তিষ্কের পক্ষাঘাত বা স্ট্রোক
মস্তিষ্কের পক্ষাঘাত ঝুঁকির অনেক উপাদান আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। যেমন বয়স, পারিবারিক ইতিহাস, জাতি ইত্যাদি। কিন্তু কতগুলো উপাদান নিয়ন্ত্রণযোগ্য। যেমন—
ক্রনিক রোগসমূহ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। উচ্চরক্তচাপ, ডায়াবেটিস, রক্তের অতিরিক্ত কোলেস্টেরল ইত্যাদি পক্ষাঘাতের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।
ধূমপান পরিহার করতে হবে। অতিরিক্ত ধূমপান পক্ষাঘাতের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।
অতিরিক্ত অ্যালকোহল সেবন স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়। মদ্যপান পরিহার করে আমরা স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে পারি।
ডায়াবেটিস
ডায়াবেটিস, বিশেষ করে টাইপ-২ ডায়াবেটিস থাকলে শরীরে গ্লুকোজের পরিমাণ বেড়ে যায়। অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিসের ফলে হূদরোগ, চোখের রেটিনার সমস্যা, স্নায়ুরোগ এবং আরও অনেক জটিলতা দেখা দেয়। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে অধিকাংশ পুরুষ তাঁদের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে পারেন। এ জন্য—
নিয়মিত জীবনাচরণ মেনে চলতে হবে।
গ্রহণ করতে হবে স্বাস্থ্যকর খাদ্য।
ব্যায়াম করতে হবে নিয়মিত।
কমাতে হবে অতিরিক্ত ওজন ।
আত্মহত্যা প্রবণতা
পুরুষের স্বাস্থ্যের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা আত্মহত্যা-প্রবণতা। সাধারণত বিষণ্নতা থেকে আত্মহত্যা করার ইচ্ছা জাগে। কারও বিষণ্নতার লক্ষণ-উপসর্গ দেখা গেলে অবশ্যই তার চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করা উচিত। প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত করা গেলে বিষণ্নতা দূর করার মাধ্যমে আত্মহত্যা প্রতিরোধ করা সম্ভব।
সবশেষে বলতে হয়, পুরুষদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার মূল সূত্রটি একই—স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ, নিয়মিত ব্যায়াম, ধূমপান ও মদ্যপান পরিহার এবং নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ মোতাবেক স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো। এর সুফল আমরা যা কল্পনা করি, তার চেয়ে অনেক গুণ বেশি।
........................................THANKS. 
**
 ছেলেদের জীবনে মেয়েবন্ধুর কেন
দরকার?


১.সে আপনাকে একা থাকতে দেবেনা যখন
আপনি কষ্টে থাকবেন।
২.আপনার খারাপ অভ্যাসগুলো পরিবর্তন
করার জন্য সে প্রতিনিয়ত বলবে।
৩.সে আপনার সাথে ছোট ছোট বিষয়
নিয়ে রাগ করবে কিন্তু রাগ
দীর্ঘস্থায়ী হবে না।
৪.সে দিনে আপনাকে ১৫ বার কল
দেবে আপনি কি করেন তা জানার জন্য।
৫.আপনাকে Money Wise করবে।
৬.আপনাকে বলবে Don't Worryযদিও
দুশ্চিন্তা করার অনেক কারন থাকে।

আপনার কাছে হয়ত এগুলো Boring
লাগবে কিন্তু
আপনি তাকে ছাড়া আপনার অনেক কিছুই অপূর্ণ থাকবে! মেয়েরা আল্লাহর
দেয়া SPECIAL GIFT
.........................THANKS. 
**
 পুরুষের যে ৫টি বিষয় নারীদের কাছে টানে........ 
নারীরা সাধারণত আত্মনির্ভরশীল, ব্যক্তিত্ববান
এবং রোমান্টিক পুরুষদের ভালোবাসেন। আসুন
তাহলে জেনে নেয়া যাক পুরুষের
মধ্যে কি কি বৈশিষ্ট্য থাকলে নারীর মন জয়
করে নেয়া যায়।
রসবোধ ও বুদ্ধিমত্তাঃ
মেয়েরা সাধারণত একটু রসিক ছেলেদের
ভালোবাসে। যে কোনো বিষয় নিয়ে উপস্থিত
ভাবে রসালাপ করতে পারে এমন ছেলেদের
প্রতি মেয়েরা বেশি আকৃষ্ট হয়। বুদ্ধিমান
ছেলেরা নারীদেরকে বেশি আকর্ষণ করতে সক্ষম
হয়।
আত্মবিশ্বাসীঃ
আত্মবিশ্বাসী ছেলেরা মেয়েদের আকর্ষণের
কেন্দ্রে থাকে সব সময়। দ্বিধাগ্রস্ত ছেলেদের
প্রতি মেয়েরা আকৃষ্ট হয় না। একজন পুরুষ যত
সুন্দর
বা রূপবানই হোক না কেন
সে যদি আত্মবিশ্বাসী না হয় তাহলে তার
প্রতি কোনো মেয়ে নির্ভর করতে পারবে না।
উচ্চতা ও দৈহিক গড়নঃ
বিভিন্ন জরিপে সর্বদাই
দেখা গিয়েছে যে নারীদের পছন্দ অধিক উচ্চতার
পুরুষ। চেহারার সৌন্দর্যের চাইতে মেয়েরা অনেক
বেশি গুরুত্ব দিয়ে থাকে পুরুষের উচ্চতা ও বলিষ্ঠ
গড়নকে।
আত্মনির্ভরশীল ও স্বাবলম্বীঃ
নারীদের পছন্দের তালিকায় আত্মনির্ভরশীল
পুরুষরা সব সময়েই অগ্রাধিকার পায়। নিজের
উপার্জনে চলে এমন পুরুষই নারীর পছন্দ। বাবার
উপার্জনে দিনযাপন করা ছেলেদের খুব
একটা পছন্দ
করে না নারীরা। সম্মানিত
পদবীতে চাকরী করে এবং স্বচ্ছল
পুরুষদেরকে নারীরা তাদের পছন্দের তালিকায়
রেখে থাকে।
পুরুষালী আচরণঃ
নিজের সঙ্গীর কাছ
থেকে নারী খোঁজে নির্ভরতা ও
নিরাপত্তা। যে পুরুষ তাকে নিরাপত্তা দিতে পারে,
নারীর চোখে তারাই পুরুষালী আচরণের অধিকারী।
আর এই ধরনের পুরুষদের জন্য নারীর আকর্ষণ
সর্বাধিক।
নারী ও পুরুষের একে অপরের দুর্বলতা প্রকৃতির
একটি স্বাভাবিক নিয়ম। নারীরা পুরুষের কাছ
থেকে নিখাদ ভালোবাসা এবং সম্মান আশা করে।
তাই নারীর চোখে আকর্ষণীয় ও ব্যক্তিত্ববান
পুরুষ
হতে চাইলে নারীর প্রতি সম্মান দেখান
এবং সততা বজায় রাখুন।
...................................THANKS. 
**
tie tips.........
 .............................thanks.
**
 অতিরিক্ত হস্তমৈথূন্যের ফলে শক্তি হ্রাস সহ নানাবিদ শারীরিক সমস্যায় ভোগেন। তারমধ্যে উল্ল্যেখযোগ্য হলঃ

১. শারীরিক ব্যথা এবং মাথা ঘোরা।

২. যৌন ক্রিয়ায় সাথে জড়িত স্নায়তন্ত্র দুর্বল
করে দেয় অথবা ঠিক মত কাজ না করার পরিস্থতি সৃষ্টি করে।

৩. শরীরের অন্য অঙ্গ যেমন হজম প্রক্রিয়া এবং প্রসাব প্রক্রিয়ায় সমস্যা সৃষ্টি করে।

৪. দৃষ্টি শক্তি দুর্বল করে দেয় এবং মাথা ব্যাথা সৃষ্টি করে।

৫.হৃদকম্পনে দ্রুততা আসে।

৬. ব্যক্তি কোনো কঠিন শারীরিক বা মানসিক কাজ এর অসমর্থ, তিনি সাধারণত নির্জনতায় থাকতে চেষ্টা করে এবং তার জ্ঞান বৈকল্য হয়।

৭. কেউ কেউ হয়তো তোতলানো এবং কানে কম শোনা রোগে আক্রান্ত হতে পারেন।

৮. দ্রুত বীর্যস্থলনের প্রধান কারন অতিরিক্ত
হস্তমৈথুন্য।

৯. হস্তমৈথূন পুরুষাঙ্গে ছিদ্র সৃষ্টি করতে পারে।
যৌবনদীপ্ত, উদ্দাম বীরপুরুষ হতে তাই আর নয় হস্তমৈথুন!
..........thanks. 
**
 যারা ১বার
হস্তমৈথুন করে অভ্যস্ত
হয়ে গেছে তারা যতদিন পর্যন্ত
কাচা মাংসের ঘ্রান
না পাবে ততদিন পর্যন্ত এটা করবেই।
যাদের
উত্তেজনা বেশী তারা তো কোনভাবেই
এটা কন্ট্রোল করতে পারবেনা। তাই
কিছু
ফর্মূলা দিচ্ছি যাতে করে আপনার
হস্তমৈথুনের পরিমান কিছুটা হলেও
কমে আসে।

১. উত্তেজিতকর খাবার কম খেতে হবে।
যেমন: গরুর মাংস, দুধ, কাচা পেয়াজ,
রসুন, খেজুর ইত্যাদি...!!

২. কখনো রুমে দরজা বন্ধ
করে একা বসে থাকবেন না। কারন
একা বসে থাকলে মানুষের মনে সব
অবাস্তব চিন্তা এসে ভর করে।
জানেন ইতো অলস মস্তিস্ক
শয়তানের কারখানা।

৩. গরম পরিবেশে থাকনে না। রুমের
দরজা জানালা খোলা রাখবেন।
বেশী গরম অনুভব করলে গোসল
করে নিবেন।

৪. পিসি মোবাইল থেকে পর্ণ
মুভি রিমুভ করে দিবেন। মনে রাখবেন
মোবাইলে পর্ণ
মুভি রেখে তা নিয়ে আপনি মসজিদে গেলে আপনার
নামাজ তো হবে দুরের
কথা আরো অনেক বেশী গুণাহ হবে।

৫. সবসময় নিজেকে কোন না কোন
কাজে ব্যস্ত রাখুন। অশ্লীল
চিন্তা কম করুন।

৬. যদি ১বার উত্তেজিত হয়ে যান
তাহলে ভুলেও পেনিসে হাত দিবেন
না। বরং হস্তমৈথুনের
অপকারী দিকগুলো নিয়ে চিন্তা করবেন।

৭. ৫ ওয়াক্ত নামাজ পড়ুন ।
তাহলে অন্তত যতটুকু সময় নামাজ
পড়বেন ততটুকু সময় বিভিন্ন ধরনের
পাপ কাজ থেকে নিজেকে বিরত
রাখতে পারবেন।

৮. সবসময় পাক-পবিত্র থাকার
চেস্টা করুন।

মনে রাখবেন ১বার যদি কোন
নারী আপনার পুরুষত্ব
নিয়ে প্রশ্ন তুলে তাহলে এর মত
লজ্জার আর কিছু নেই।

আশা করি আমি যা বলেছি হস্তমৈথুন
কমানোর জন্য এর চেয়ে আর কোন ভাল
উপায় নেই। পুরুষত্বহীনতার মূল
কারনই হল হস্তমৈথুন।
.............thanks. 
**
 

▽ সেক্স সমস্যা এবং তার সমাধান

▽
সমস্যা ১: আমার যৌন ক্ষমতা কম।

সমাধানঃ ক্ষমতা কম বলতে সাধারণত সবাই
বেশীক্ষণ ইন্টারকোর্স (মিলন)
করতে না পারাকে ইন্ডিকেট করেন।
এটা কোনো সমস্যা নয়। ইজেকশন
(বীর্জশ্খলন) মানসিক
প্রক্রিয়া দ্বারা প্রভাবিত হয়। উত্তেজিত
অবস্থায় দ্রুত ইজেকশন হয় আবার
টেনশনে বা অন্যমনস্ক থাকলে দীর্ঘ বিরতির
পর ইজেকশন হয়। প্রাকটিসের
মাধ্যমে রোগী নিজেই সমস্য
ার সমাধান করতে পারেন।

সমস্যা ২ (ক) আমার মাস্টারবেট
(হস্তমৈথুন) করার অভ্যাস আছে। এজন্য
আমার সেক্স পাওয়ার কমে যাচ্ছে। শরীর
দুর্বল হচ্ছে।

সমাধানঃ মাস্টারবেটকে সাধারণ
ঘটনা হিসেবে মেডিকেল
সাইন্সে বিবেচনা করা হয়। ক্লিনিক্যালী এর
কোনো ক্ষতিকর প্রভাব পাওয়া যায়নি।
বরং কিছু কিছু
চিকিৎসা বিজ্ঞানী একে স্বাস্থ্যের জন্য
ভালো এবং টেস্টিস ক্যানসারকে প্রতিরোধ
করে বলে মত দিয়েছেন।
মাস্টারবেটের সাথে সেক্স পাওয়ার কমার
কোনোসম্পর্ক নেই। শারীরিক
দুর্বলতা সৃষ্টির ক্ষেত্রে ক্লিনিক্যালি এর
কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি। তবে ধর্মীয়
বিবেচনায় এটা নিষিদ্ধ ।

সমস্যা ২ (খ) : মাস্টারবেট (হস্তমৈথুন)
করার ফলে ব্রণ হয়, হাতে পায়ে লোম গজায়
কথাটাকি সত্য?
সমাধানঃ পুরোপুরি ১০০ ভাগ মিথ্যা কথা।

সমস্যা ৩ : আমি ২/১ মিনিটের বেশী স্পার্ম
ধরে রাখতে পারি না, আমার কি চিকিৎসার
দরকার?

সমাধানঃ না দরকার নেই। উত্তেজিত
অবস্থায় ২-১ মিনিটেই ইজেকশন
(বীর্জশ্খলন) হতে পারে যা স্বাভাবিক
অবস্থায় আরো দেরীতে হয়। মাস্টারবেশন
ও সেক্স দুটো ভিন্ন জিনিষ। মাস্টারবেশনের
সময় শুধু কামভাব নিবারিত হয়বলে দ্রুত
বীর্যশ্খলন হয় কিন্তু সেক্স ভালোবাসার
সাথে রিলেটেড। বিয়ের পর ১ম ১মাস
আপনি এধরণের সমস্যায় পড়তে পারেন
তবে প্রাকটিসের মাধ্যমে নিজেই
তা সারিয়ে ফেলতেপারবেন। চিকিৎসার দরকার
হবে না।

সমস্যা ৪ : নরমাল সেক্স টাইম কত?
কতক্ষণ সেক্স
করলে কোনো মেয়েকে সেটিসফেকশন
দেয়া সম্ভব?

সমাধানঃ মেয়েদের সেক্সের ধরণ ও ছেলেদের
ধরণ আলাদা। ছেলেদের সেক্স বীর্জপাতের
সাথেসম্পর্কিত, মেয়েদের
ক্ষেত্রে ব্যাপারটা মানসিক। ক্লাইটোরিয়াস
নামের একটি অংশ মেয়েদের
উত্তেজনা প্রদান করে। একটি নির্দিষ্ট সময়
পর উত্তেজনা প্রশমিত হয়
ব্যাপারটিকে অর্গাজম বলে। মেয়েদের
ক্ষেত্রে টাচিং, রাবিং,
কিসিং ইত্যাদি প্রাথমিক ঘটনা থেকেই সেক্স
শুরু হয়। উত্তেজিত থাকলে তারা ২-১
মিনিটেই সেটিসফেকশন পেতে পারে।
উত্তেজনা না থাকলে ঘন্টার পর
ঘন্টা তারা আনসেটিসফাই থাকতে পারে।
তাদের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট
কোনো ধরাবাধা সময় নেই।

সমস্যা ৫: মাঝে মাঝে আমার পেনিস
দিয়ে পিচ্ছিল কিছু তরল বের হয়।
এটা কি সমস্যা?

সমাধানঃ না সমস্যা নয়। বাংলায়
এগুলোকে যৌনরস বলে। উত্তেজিত
অবস্থায় এটা বের হয়ে পেনিসকে পিচ্ছিল
করে যাতে পেনিস
সহজে ভ্যাজাইনাতে প্রবেশ করে।

সমস্যা ৬: বিবাহিত জীবনে সুখি হবার উপায়
কি?

সমাধান ৬: সঠিক ট্রিকস
জানা থাকলে যেকেউ সুখি হতে পারে।
টোটকা ওষুধ বা ভায়েগ্রা জাতীয় মারাত্মক
ক্ষতিকর কোনো ওষুধ সেবন করবেন না।

একটি সার্থক সেক্স অনেকাংশেই নির্ভর
করে উভয়ের ভালোবাসার উপর কারণ
পুরো ব্যাপারটি মানসিক। যৌন
জীবনে বিশ্বস্থ থাকুন। সিফিলিস ও এইডসের
মত ভয়াবহ রোগ থেকেদূরে থাকুন।
,.........thanks

Saturday, December 7, 2013

  1.   FOR WOMEN................

**

||হিডেন ক্যামেরা সনাক্ত করার কিছু উপায়
জেনে নিন ||

১। ট্রায়াল রুমে (যেখানে কাপড় পাল্টাবেন) ঢুকে
আপনার মোবাইল থেকে কাউকে কল দেয়ার
চেষ্টা
করুন। যদি কল করা যায় ও নেটওয়ার্ক থাকে-
তাহলে গোপনক্যামেরা নাই।
আর যদি কল করা না যায় ও নেটওয়ার্ক হঠাৎ
করে
ডাউন হয়ে যায়-তাহলে অবধারিতভাবে বুঝবেন
সেখানে গোপন ক্যামেরা রয়েছে। গোপন
ক্যামেরার
সাথে ফাইবার অপটিক্যাল ক্যাবল থাকে।
সিগন্যাল
ট্রান্সফার করার সময় এর ইন্টারফিয়ারেন্ -স
হতে
থাকে। যার জন্য মোবাইল নেটওয়ার্ক
ঐখানে কাজ
করেনা।
২।শপিংমলের ড্রেসিং/ট্রায়াল
রুমে (যেখানে মেয়েরা
কাপড় পাল্টায় বা ফিটিং চেক করে) সেখানে যে
আয়না থাকে সেটা আসল নাওহতে পারে, এটিও
গোপন ক্যামেরার মতই মারাত্মক !
প্রযুক্তির অপব্যবহারে আসল আয়নার
মাঝে এখন
যুক্ত হয়েছে নকল আয়না, যাকে বলাহয়
দ্বিমুখী আয়না ।
এই আয়নায় আপনি আপনার
চেহারা দেখতে পারবেন,
কিন্তু ভুলেও বুঝতে পারবেন না যে অন্যপাশ
হতে
কেউ আপনাকে দেখছে! অথবা আয়নার অন্য
পাশে
লাগানো আছে অত্যাধুনিক কোন ক্যামেরা ।
আপনারআঙ্গুল আয়নার উপর রাখুন।
যদি আপনার
আঙ্গুলের মাথা প্রতিবিম্ব আঙ্গুলের মাথার
সাথে না
লাগে (মাঝে যদি ফাঁকা থাকে তাহলে আয়না যদি
আঙ্গুলের মাথা প্রতিবিম্বের মাথার
সাথে লেগে যায়,
তার মানে আয়না নকল!
আসল আয়নার সিলভার প্রলেপ থাকে আয়নার
পিছনে, যার জন্য আপনার আঙ্গুল ও
প্রতিবিম্বের
মাঝে ফাঁকা থাকবে আয়নার পুরুত্বের জন্য।
আর নকল আয়নার (দ্বিমুখী) সিলভার প্রলেপ
থাকে
আয়নার সামনে, যার জন্য আপনার আঙ্গুলের
ছাপ
আপনার আঙ্গুলের প্রতিবিম্বের
সাথে লেগে যাবে কারন
মাঝে কোনো বাধা নেই।
.............................THANKS. 

**

নারীদেরকে সুন্দরী করে তুলতে নিয়মিত যৌনজীবন খুবই দরকারি

এবার সুন্দরী নারীদের যৌন জীবনের রহস্য উন্মোচনের জন্য রীতিমতো গবেষণা শুরু হয়েছে। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত ব্যায়াম করার চেয়েও নিয়মিত সেক্স লাইফ ভাল। যদি আপনি নিজেকে ফিট, সুন্দরী ও এবং কম বয়সী হিসেবে দেখতে চান তাহলে আপনার জন্য নিয়মিত যৌনজীবন খুবই দরকারি। একটি স্কটিশ গবেষণায় দেখা গেছে, পুরুষের মতো উন্নত যৌন জীবন নারীদেরকে সুস্বাস্থ্যের অধিকারী করে তোলে। এতে নারীদের ত্বক আরো মসৃণ ও সতেজ হয়। যখন আপনি দৈহিক সম্পর্কে লিপ্ত থাকেন, তখন আপনার শরীর থেকে তিন ধরনের হরমন কাজ করে।
.................................THANKS.
**
 লাল লিপস্টিকের অর্থ জানেন কি?
আজকাল লাল লিপস্টিকে ঠোঁট রাঙানো নতুন ফ্যাশন ট্রেন্ড। কম বয়স্ক মেয়েরা থেকে শুরু করে মধ্য বয়সী অনেক নারীই ঠোঁট রাঙাচ্ছেন লাল রঙে। বলাই বাহুল্য যে এই রঙটার ফ্যাশন আমাদের দেশে প্রবেশ করেছে হিন্দি সিনেমা ও সিরিয়ালের কল্যাণে। এবং স্বভাবতই কিছু না বুঝে শুনেই আমাদের নারীরা অনুসরণ করছেন সেটা।

আপনি কি জানেন, লাল লিপস্টিকের কি অর্থ? লাল লিপস্টিক আপনাকে একজন কামার্ত মানুষ হিসাবে উপস্থাপন করছে। বৈজ্ঞানিক ভাবে প্রমানিত ও বহুকাল যাবত প্রতিষ্ঠিত ঠোঁটে লাল রঙের এই অর্থ।

অনেক সমাজ বিজ্ঞানীরা মনে করেন যে ঠোঁট রাঙানোর বিষয়টা মূলত পতিতাবৃত্তি থেকে এসেছে। বিশেষ করে লাল রঙে ঠোঁট রাঙানোর বিষয়টি। পতিতারা ঠোঁট লাল রঙে রক্তিম করে তুলতেন আর সেটাই ছিল তাদের বিজ্ঞাপন।

কালের বিবর্তনে লিপস্টিকে ঠোঁট রাঙানোর বিষয়টি সমাজে স্বীকৃতি পায়, বলাই বাহুল্য যে কিছু কোম্পানির ব্যবসায়িক ফন্দির কৌশলে। এবং খুব দ্রুত এই লিপস্টিক হয়ে ওঠে সৌন্দর্য চর্চায় অত্যাবশ্যকীয় একটি উপাদান। নানান রকমের ও বর্ণের লিপস্টিক চলে আসে বাজারে, আর নারীরা সেসব ব্যবহার করেন নিজেকে সাজাবার জন্য। তবে এত সব রঙের ভিড়েও লাল রঙের লিপস্টিক সর্বদাই বিবেচিত হয়ে এসেছে যৌন আবেদনের প্রতীক হিসাবে।

ভারতীয় সংস্কৃতির অন্ধ অনুকরণে আমাদের নারীরা যে বয়স নির্বিশেষে লাল লিপস্টিক ব্যবহার করেই যাচ্ছেন, সেটা আসলে কতটুকু শালীন বা আমাদের সমাজের প্রেক্ষাপটে কতটুকুন যৌক্তিক? বেশিরভাগ নারীই একে ফ্যাশনের ট্রেন্ড মেনে নিয়ে ব্যবহার করছেন, নিজেকে প্রমাণ করছেন ফ্যাশন সচেতন। অথচ জানতেও পারছেন না যে নিজের অজান্তেই আপনি নিজেকে উপস্থাপন করছেন একজন কামার্ত মানুষ হিসাবে!

.......................................THANKS.
**

হাসি দেখে মেয়ে চিনুনঃ
১| হাসির সময় যে মেয়েদের দাত
বের হয়
না তারা খুব সৌভাগ্যবতী হয়|
২| যেসব নারী হাসলে দুগালে টোল
পড়ে তারা ব্যাভীচারিনী হয়|
৩| যে নারী হাসলে মুখ রক্তিম হয়
সে কুলটা হয়|
৪| যারা যেকোনো কথায়
হো হো প্রান
খোলা হাসিতে ভরিয়ে দেয়
তারা সরল ও সৎ
হয়|
৫| যে নারী অতিরিক্ত
হাসে তারা দুশ্চরিত্রা হয়|
৬| মৃদু হাসিনী নারী সুখি হয়|

.................................THANKS. 
**
 সাদাস্রাব বা প্রদর বা লিকোরিয়া কেন হয়?

সাদা স্রাব বা লিকোরিয়া কিঃ মহিলাদের সন্তান প্রসব হওয়ার যে (পথ বা রাস্তা) সে পথে এক প্রকার ঘন স্রাব হওয়াকে প্রদর বা লিকোরিয়া বলে। মনে রাখবেন- ইহা কোন রোগ নয়, সাদাস্রাব বা লিকোরিয়া রোগের লক্ষন বা উপসর্গ মাত্র।

অনেক মহিলাদের বিয়ের আগে ও পরে এই রোগ হয়। কিন্তু অনেকে লজ্জায় বা অবহেলা করে নিজের নিকট তা লুকিয়ে রাখে। অনেকে এটাকে তেমন গুরুত্বও দেয়না। তবে ইদানিং মহিলাদের শিক্ষিত হার বেড়ে যাওয়াতে অনেক সচেতনতার সৃষ্টি হয়েছে। এখন একে অন্যের নিকট বিভিন্ন সমস্যার কথা শেয়ার করে। যার কারনে এখন এই রোগের চিকিৎসা করে অনেকে সুস্থ আছেন।

কেন এই রোগ হয়ঃ লিকোরিয়া বা সাদাস্রাব হওয়ার পিছনে অনেক গুলো কারন জড়িত।

০১। প্রধান কারন হল ইনফেকশন। মহিলাদের জরায়ু “ওপেন অরগ্যান” উন্মুক্ত অংগ গুলোর মধ্যে একটি। যেহেতু জরায়ু উন্মুক্ত থাকে, তাই যে কোন ভাবে এইখানে ইনফেকশন হওয়ার সম্ভাবনা থেকেই যায়।

২। মলদ্বার বা পায়ুদেশ থেকে জীবানু আসিয়া খুব সহজেই জরায়ুতে ইনফেকশন হতে পারে।

৩। পুরুষের মাধ্যমেও এই রোগ হতে পারে। ট্রাইকোমানো এবং মোনালিয়া এই দু’টি ইনফেকশন যৌন রোগের জীবানু বহনকারী পুরুষের মাধ্যমে স্ত্রীলোকদের মধ্যে সংক্রমিত হয়।

৪। মোনালিয়া জীবানু দ্বারা আক্রান্ত জরায়ুতে চুলকানি হয় এবং ব্যথা করে। ঘন হলুদের মত স্রাব হয়।

৫। ট্রাইকোমানো জীবানু দ্বরা আক্রান্ত জরায়ুতে জ্বালাভাব থাকে, চুলকানি হয়, জরায়ু একটু ফুলিয়া যায়, লালচে হয়ে যায়। ফেনাটে দুর্গন্ধযুক্ত স্রাব হয়।

৬। পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার অভাব ও উপযুক্ত পরিবেশের অভাবের কারনে এই রোগ হতে পারে।

৭। জম্ম নিরোধক বড়ি হতেও এই রোগ হতে পারে।

৮। ঋতুস্রাবের পরবর্তী প্রযায়ে গর্ভপাত করালে, ইত্যাদি কারনে হতে পারে।

৯। মেয়েদের বা মহিলাদের মাসিক বা ঋতুচক্র আরম্ভ হলে অনেকে ময়লা অপরিষ্কার নেকরা বা কাপড় কিংবা অপরিষ্কার পেন্টি ব্যবহার করেন। যার কারনে জরায়ুতে ইনফেকশান হয়ে এই রোগ হয়।

১০। মানসিক রোগ হতেও লিকোরিয়া বা সাদা স্রাব হতে পারে।

১১। শরীরের যক্ষ্মা, রক্তহীনতা, ভিটামিনের অভাবে এই রোগ হতে পারে

১২। বৃদ্ধ বয়সে শরীরের চামড়া শুকাইয়া যায়, কুচকাইয়া যায়। সে সময় জরায়ু শুকাইয়া গেলে এই রোগ হতে পারে।

পরামর্শঃ

১। সহবাসের পর যেসব মহিলাদের লালচে বা গোলাপি স্রাব হয়, তাহাদের খুব শীগ্রি ডাক্তারের নিকট যাওয়া উচিৎ। এমনকি যদি দু’টি পিরিয়ডের মাঝখনে পিংক ডিসচার্জ হয় তাহলেও ডাক্তার দেখাতে হবে। যদি পিরিয়ডের মাঝামাঝি সময়ে পানির মত পাতলা স্রাব হয়, তাহলে ভয়ের কিছু নাই।

২। এই রোগের চিকিৎসা (বিবাহিত হলে) স্বামী স্ত্রী দু’জনকে একসাথে করতে হবে। কেননা স্বামীর নিকট থেকে প্রবত্তীতে আবার স্ত্রী ইনফেকশন হতে পারে।

৩। সংক্রমণ এড়াইতে হইলে একটাই উপায়- তা হল পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে।

৪। মাসিক বা ঋতুচক্রে পরিষ্কার জীবানুমুক্ত (ডেটল বা সেবলন) দিয়ে কিংবা ভালভাবে সাবান দিয়ে পেন্টি বা কাপড় জীবানুমুক্ত করে তা ব্যবহার করতে হবে।

৬। প্রদর বা সাদাস্রাব যাওয়া অবস্থায় কোন প্রকার মিলন বা সহবাস করা যাবেনা। ৭। পুষ্টিকর বা বল বৃদ্ধিকারক খাবার খাইতে হইবে।

.........................THANKS. 
**
 সকল বোনদের বলছিঃ
আপনার দেহে কোন পর পুরুষের বিন্দুমাত্র অধিকার নেই। নিজের
মর্যাদা বাচিয়ে চলা আপনার পবিত্রদায়িত্ব ও অধিকার। যে ছেলেআজ
আপনাকে মিষ্টি কথার ফাদে ভুলিয়ে আপনার
দেহ চাচ্ছে, কি করে বুঝবেন যে সে অন্য মেয়ের কাছে একই কথা বলছে না? এত মহা মূল্যবান সম্পদ আপনার ইজ্জত, কেন নিজ হাতে নষ্ট করছেন?
আসুন একটু সচেতনতাই পারে আমাদের এসব কুকীর্তি থেকে মুক্তি দিতে ।

.........................THANKS. 
**
 ঘুমাতে যাওয়ার আগে চুলের যত্ন:
 ঘুমাতে যাওয়ার আগে চুলের যত্ন নেয়া প্রয়োজন। চুল ভালো করে আঁচড়িয়ে নিন। মেটালের চিরুনি ব্যবহার না করে প্লাস্টিকের বড় দাঁতের চিরুনি ব্যবহার করুন। সহজেই চুলের জট ছেড়ে যাবে। বড় চুল হলে বানিটেল বা বিনুনী বেঁধে নিন। তাহলে চুলে আর জট পড়বে না। তবে খুব টেনে চুল বাঁধবেন না, এতে কপাল চওড়া হয়ে যাবে আর চুল বেশি পড়বে।

চুল ও স্ক্যাল্প পরিষ্কার থাকলে সারা রাত চুলে তেল লাগিয়ে রাখতে পারেন। সে ক্ষেত্রে মাথায় কাপড়ের ব...্যান্ড বা কোনো কাপড় দিয়ে ঢেকে শোবেন, তাহলে বালিশে তেল লাগবে না। হেয়ারটনিক ম্যাসাজ করতে পারেন, এতে তেল সহজেই চুলের গোড়ায় ঢুকবে। ঘুমও ভালো হবে। সারারাত ঘুমানোর পর কোঁকড়ানো চুল প্রায়ই নিস্তেজ হয়ে পড়ে। সকালে ঘুম থেকে উঠে মাথা নিচু করে স্ক্যাল্পে সার্কুলার মোশনে ম্যাসাজ করুন, এতে নিস্তেজ চুলে প্রাণ ফিরে আসবে।

বালিশে ঘষা লেগে অনেক সময় চুল ভেঙ্গে যায়, চুল পড়তে শুরু করে। চুল যাতে এলোমেলো, অবিন্যস্ত না হয় সে জন্য মসৃণ ও নরম কাপড়ের বালিশের কাভার বা সার্টিনের তৈরি বালিশের কাভার ব্যবহার করুন। নরম ও মসৃণ হওয়ায় সহজে ঘষা লেগে চুল ভেঙ্গে যাবে না।

.............................THANKS.
**

বিলিভ ইট, অর নট বিশ্বাস করেন আর নাই করেন,
কাহিনী পুরাই সত্য...

১. আপনি কখনো ২
মিনিটে MaggiNoodles
রান্না করতে পারবেন না।
২. Fair & Lovely
কখনো ৭দিনে গায়ের রঙ
ফর্সা করেনা।
৩. Harpic কখনো টয়লেটকে ৯৯.৯৯%
জীবানু মুক্ত করেনা।
৪. Wheel/Rin কখনই কাপড়কে সাদার
চেয়ে বেশি সাদা করতে পারে
৫. SUNSILK Hair Fall কখনো চুল
পরা কমাতে পারেনা।
....................................thanks.
**
 যা জানা জরুরী ( মেয়েদের ফিঙ্গারিং কৌশল)

ছেলেদের মত মেয়েরাও অনেক সময়ই অনেক হর্নি হয়ে যায় যে তাদের মাস্টারবেট করার প্রয়োজন হয়। মাস্টারবেট হিসাবে মেয়েরা সাধারনত ফিঙ্গারিং করে থাকে। মাস্টার্বেট করে সর্বোচ্চ আনন্দ পাওয়ার জন্য বিভিন্ন ভাবে ফিঙ্গারিং করে যায়। যে ভাবে করে আপনি সবচেয়ে অনন্দ পান, এবং কম্ফোর্টেবল ফিল করেন, সেভাবে ফিঙ্গারিং করুন। ফিঙ্গারিং এ সাহায্য করতে পারে এমন কিছু তথ্যই দেওয়া হল।

আপনি যখন বেশ হর্নি ফিল করবেন, বা টার্ন অন থাকবেন তখন ফিঙ্গারিং করা শুরু করুন। চাইলে ফিঙ্গারিং করার আগে পর্ন বা সেক্স মুভি দেখুন, এরোটিকা পড়ুন।এছাড়া বয়ফ্রেন্ড এর সাথে ফোন সেক্স করার সময় বা এরোটিক কথা বলার সময় করতে পারেন ফিঙ্গারিং। হর্নি হলে জি স্পটের চার পাশের স্পঞ্জি এরিয়া গুলোতে রক্ত পৌছায়, ফলে জায়গাগুলো স্ফিত হয়। তাতে ফিঙ্গারিং করা সহজ হয় এবং এতে করে আপনি মজাও বেশি পাবেন।

ফিঙ্গারিং শুরু করার আগে আপনার ব্রেস্ট চাপতে পারেন, নিপল টুইস্ট করতে পারেন। এটি আপনাকে মুড এ আসতে সহায়তা করবে। দুই পা ফাক করে কম্ফোর্টেবল কোন পজিশনে বসুন বা শুয়ে পড়ুন। আঙ্গুল লাগান আপনার ভ্যাজায়নাতে। আঙ্গুল একটু ঘষুন ও আস্তে আস্তে চাপুন। ভিজে উঠলে ভেতরে ঢুকান একটা আঙ্গুল। চাইলে সে সময় আঙ্গুলের পরিবর্তে পেনিস কল্পনা করে নিতে পারেন। জোরে ঢুকান বের করুন, আস্তে আস্তে দুইটি বা তিনটি আঙ্গুল দিন। ভেতরে আঙ্গুল ঘোরান। জি স্পট স্পর্শ করার চেষ্টা করুন। ক্লিটরিস স্পর্শ করুন, টিপুন, সুড়সুড়ি দিন। বেশ মজা পাবেন। আঙ্গুল ব্যথা না পাওয়া পর্যন্ত জোরে ঢুকান। এতে স্যাটিস্ফেকশন পাবেন। এক হাত দিয়ে ফিঙ্গারিং করার সময় আরেক হাত দিয়ে ব্রেস্ট বা অ্যাস চাপতে পারেন। আপনার ভ্যাজায়না ভিজে না উঠার আগে ফিঙ্গারিং শুরু করবেন না, এতে পরে ব্যথা করতে পারে। অর্গাসোম লাভ করা পর্যন্ত বা সম্পূর্ণ স্যাটিস্ফাইড হওয়া পর্যন্ত ফিঙ্গারিং করুন।

মেয়েদের মাস্টার্বেটে আরো মজা পাওয়ার জন্য আছে বিভিন্ন সেক্স টয় , যেমন ডিলডো, ভাইব্রেটর। এসবে লুব্রিক্যান্ট অয়েল মাখিয়ে নিতে পারেন যদি বেশি শুকনো লাগে। এর পর পছন্দ মত ভইব্রেশন দিয়ে মাস্টারবেট করুন। জি স্পট খুজে বের করা টা মেয়েদের মাস্টারবেটে বেশ গুরুত্বপূর্ণ। পরবর্তীতে এর সম্পর্কে বলা হবে। জি স্পট খুজে সেখানে জোরে প্রেস করুন। এতে আপনার কোন ক্ষতি হবে না। বরং অর্গাসোম লাভ করতে পারবেন। সেক্স টয় বা ডিলডো ব্যাবহারে শরীরের কোন ক্ষতি হয় না। তবে এগুলো না থাকলে আপনি আঙ্গুল দিয়ে ই কাজ চালাতে পারেন। অনেকে ডিলডোর অভাব মেটাতে পেন্সিল বা অন্যান্য জিনিস ব্যাবহার করে থাকে। আপনি যদি এসব ব্যাবহারে মজা পান, এবং কম্ফোর্টেবল হন তবে চেষ্টা করে দেখতে পারেন।

.......................thanks. 
**
 পুরুষদের যদি উত্তেজনা কম
থাকে সে ক্ষেত্রে নারীর উচিত
পুরুষকে উত্তেজিত করে তোলা।
নারী বিভিন্ন
ভাবে পুরুষকে উত্তেজিত
করে তুলতে পারে। বিশেষ
করে নারী তার স্তন, স্তনবৃন্ত, কিটোরিস
ইত্যাদি উত্তেজক শারীরিক অংশের
স্পর্শ দ্বারা পুরুষকে উত্তেজিত
করে তুলতে পারে।
পুরুষত্বহীনতা সমস্যা মোকাবেলায়
নারীর ভূমিকা রয়েছে খুব বেশি।
নারী পুরুষকে বিভিন্ন
ভাবে উত্তেজিত করে আবার
তাকে শিথিল করে তার লিঙ্গের
দৃঢ়তা বাড়াতে পারে।
স্ত্রী দিনে অন্তত তিন চার বার
স্বামীর দৃঢ়তা বাড়াতে এ
কাজটি করতে পারে।
লিঙ্গের উত্তেজনা দীর্ঘণ
ধরে না রেখে পুরুষের উচিত একবার
লিঙ্গ শিথিল করে আবার লিঙ্গের
উত্তেজনা তৈরী করা।
এতে করে পুরুষত্বহীনতার
সমস্যা কিছুটা কমতে পারে।

............thanks. 
**

সেনিটারি ন্যাপকিন


মেয়েদের পিরিয়ড শুরু হয় ১১-১৩ বছর বয়সে। আজকাল পুষ্টিকর খাদ্য ও স্বাস্থ্যের জন্য ৮-৯ বছর বয়সেও প্রথম পিরিয়ড দেখা দিতে পারে। এই সময়টা সে নিতান্তই শিশু। এই বয়সে পিরিয়ডে মানসিকভাবে বাধাগ্রস্ত হওয়া খুবই স্বাভাবিক। কি হতে কি হলো এই ভয়ে এক প্রচণ্ড মানসিক চাপ পড়ে তার উপর।

তা ছাড়াও তো আছে নানারকম ইনফেকশনে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা। অথচ উপযুক্ত ব্যবস্থা নিলে সে অতি সহজে এই হয়রানির হাত থেকে রক্ষা পেতে পারে। পেতে পারে সুস্থ, সুন্দর সফল জীবন। সুস্থ আর সুন্দর জীবনের জন্য তাই এ সময় প্রয়োজন স্বাস্থ্যসম্মত সেনিটারি ন্যাপকিন ব্যবহার করা।

জানবে কিভাবে:

একটি কিশোরী মেয়েকে যৌবনে উপনীত হওয়ার আগে পার হতে হয় বয়ঃসন্ধির দিনগুলো। তখন তার চোখের সামনে উন্মোচিত হতে থাকে নারীত্বের রহস্যময় বাঁকগুলো। বাইরের দুনিয়াটাকে বিস্ময়ের চোখে দেখার ও চেনার সঙ্গে সঙ্গে সে আবিষ্কার করে নিজের শরীরের পরিবর্তনগুলো।

এখানে সে নির্ভর করে মায়ের উপর। মা হিসেবে তো বটেই একজন নারী হিসেবেও মা শেখান পরিপূর্ণ নারী হয়ে উঠতে। মেয়ের বড় হয়ে উঠার এই প্রক্রিয়ায় ট্রেনার হিসেবে, সংশোধক হিসেবে পাশে থাকেন মা। অনেক সময় এই দায়িত্বটা নেন বড় বোন। তারা ভালো-মন্দ বিবেচনা করে তাকে সাহায্য করবেন সফল হতে। যেখানে ঋতুমতী হওয়ার বিষয়টা আসবে সবার আগে।

বিশেষজ্ঞদের মতামত

হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট হাসপাতলের গাইনি ও প্রসূতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপিকা ডা. নাজনীন আহমেদ বলেন, পিরিয়ডের সময়ে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা খুবই জরুরি। অস্বাস্থ্যকর বস্তু ব্যবহারের জন্য মেয়েদের দুটি প্রধান সমস্যা দেখা দিতে পারে- প্রথমত, পাইরজেনিক অর্গানিজমে ব্যাক্টেরিয়াল ইনফেকশন হয়।

এই ইনফেকশনে নিচ হতে উপরের দিকে ইউট্রেস টিউব আক্রান্ত করে। এতে টিউব ব্লক হয়ে যেতে পারে। তখন রোগী কনসিভ করতে পারে না। যদিও কখনো কখনো এই সমস্যা নিয়ে বাচ্চা হয়। তবে ইনফেকশনটা বাচ্চার মধ্যে ছড়িয়ে যায়, ফলে বাচ্চা রুগ্ন হয়।

দ্বিতীয়ত, পিরিয়ডের হাইজেনিক ইনফেকশনের জন্য মেয়েদের সব সময় তলপেটে ব্যথা থাকে। একটা অসুস্থভাব সব সময় তাকে ঘিরে থাকে। তাই নিরাপদ মাতৃত্বের জন্য পিরিয়ডের সময় নিরাপদ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
............THANKS
**

জেনে নিন (মাসিকের সময় খুব বেশী ব্যথা হলে করনীয়)

মাসিকের সময় তলপেটে ব্যথা আমাদের দেশে একটা কমন ব্যাপার। কিন্তু একটু সচেতন হলেই এই ব্যথা এড়িয়ে চলা যায়।মনে রাখতে হবে পৃথিবীর সকল মেয়েরি মাসিকের সময় কম বেশী ব্যথা হয়।সামান্য ব্যথা হওয়াটা স্বাভাবিক।ব্যথা বেশী হলেই নিচের পদ্ধতি গুলো ফলো করতে পারেন।প্রাথমিক ভাবে ডাক্তারের কাছে যাবার প্রয়োজন নেই।

১/কোন বোতলে গরম পানি ভরে বা কাপড় গরম করে তলপেটে ২০/২৫ মিনিট ছ্যাক লাগাতে হবে। এটা সপ্তাহে টানা ৩/৪ দিন করে করতে হবে। এতে ধীরে ধীরে মাসিকের সময় ব্যাথা কমে যাবে।

২/এছাড়া আরেকটা পদ্ধতি আছে- সিজ বাথ। ৩ মিনিট গরম পানিতে কোমর ডুবিয়ে বসে থাকতে হবে। পরের ২/১ মিনিট ঠাণ্ডা পানিতে। এভাবে ২০/২৫ মিনিট সিজ বাথ নিতে হবে। এটাও সপ্তাহে টানা ৩/৪দিন নিতে হবে। শুধু পানি বা পানিতে কিছু লবন, বেকিং সোডা বা ভিনেগারও ব্যবহার করা যায়।

৩/আরেকটা পদ্ধতি আছে- কেজেল ব্যায়াম। এটাও খুব উপকারী।
এগুলো করলে যোনি মধ্যে রক্ত চলাচল প্রক্রিয়া বাধাপ্রাপ্ত না হয়ে আবার ঠিকঠাক হয়ে যাবে, ব্যাথাও কমে যাবে।

আমাদের দেশের অনেক মেয়েদেরই শারীরিক ফিটনেস ভালো নয় বলে এরকম সমস্যা বেশি হয়। এই বিষয়ে আরও বিস্তারিত পরবর্তিতে আলোচনা করার ইচ্ছা রইল।

............THANKS